বঙ্গে বর্ষা আগমনের স্পষ্ট চিহ্নস্থল হওয়ার পর উইকএন্ডে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা উঠে এসেছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় মৌসুমী বায়ু প্রবেশ করবে এবং তার ফলে বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। উত্তরবঙ্গের পাঁচটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যেখানে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানায় যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু আরও অগ্রসর হয়ে রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জের উপর দিয়ে এই বায়ু অতিক্রম করেছে। আবহাওয়াবিদদের অনুমান অনুযায়ী আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে রাজ্যের বাকি অংশেও মৌসুমী বায়ুর অগ্রগতি ঘটবে। বর্তমানে পঞ্জাব থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত একটি সক্রিয় মৌসুমী অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প বঙ্গে প্রবেশ করছে, যা বৃষ্টি ও ঝড়ের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করেছে। উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে আজ (১২ জুন) থেকে আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত অধিকাংশ জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের এক বা দুই জায়গায় ভারী বৃষ্টির (৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার) সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েক দিন বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বজ্রপাত-সহ ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ১৩ ও ১৪ জুন অর্থাৎ শনি ও রবিবার বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, দুই বর্ধমান, দুই ২৪ পরগনা-সহ একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ০৪ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.#kolkata #bangladesh #alipur_weather_department #dakshin_bangla #uttar_bangla
